মিয়া টিউটর হলো মিয়া গ্রুপ বিডি-র তৈরি একটি সফটওয়্যার, যা বাংলাদেশের প্রাইভেট টিউটর ও কোচিং একাডেমিগুলো তাদের ক্লাস পরিচালনায় ব্যবহার করে। আপনার একাডেমি — অর্থাৎ আপনার পরিচিত শিক্ষক — ঠিক করেন কোন তথ্য এখানে যুক্ত হবে, এবং সেই তথ্য বিষয়ে প্রথম যোগাযোগও তাঁর সঙ্গেই। মিয়া গ্রুপ বিডি প্ল্যাটফর্মটি পরিচালনা করে।
আপনার একাডেমি লিখে রাখে: শিক্ষার্থীর নাম, শ্রেণি ও স্কুল, অভিভাবকের নাম ও ফোন নম্বর, উপস্থিতি, মাসিক ফি-র চালান ও তার বিপরীতে পরিশোধ, এবং নিজের শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত পাঠ, নোট ও পরীক্ষার ফল।
অভিভাবক পোর্টাল অ্যাকাউন্ট খুললে: একটি ইমেইল, একটি ফোন নম্বর (একবার এসএমএস কোড দিয়ে যাচাই করা হয়) এবং একটি পাসওয়ার্ড — পাসওয়ার্ড এমনভাবে সংরক্ষিত হয় যা পড়ে ফেরত পাওয়া যায় না।
পরীক্ষা শুধু এমসিকিউ (বহুনির্বাচনী)। শিক্ষার্থীর নিজের হাতে লেখা উত্তর ইচ্ছাকৃতভাবেই এই সিস্টেমে রাখা হয় না।
একাডেমিগুলো সম্পর্কে মিয়া-র নিজস্ব কেন্দ্রীয় হিসাব হলো সংখ্যা — কোন একাডেমিতে কতজন শিক্ষার্থী — নাম নয়। শিক্ষার্থীর বিবরণ প্রতিটি একাডেমির নিজস্ব সুরক্ষিত জায়গায় থাকে; এক একাডেমি কখনো আরেক একাডেমির তথ্য দেখতে পারে না। শিক্ষকের আপলোড করা ফাইল (নোট, শিট, ভিডিও) Cloudflare R2-তে সংরক্ষিত হয় — শিক্ষক ফাইলে যা রাখেন, তা সেই ফাইলেই থাকে।
শিক্ষক চাইলে কোর্সের ছাপানো সিলেবাস — পিডিএফ বা ছবি — যুক্ত করে সেটির লেখা পড়ে নিতে বলতে পারেন, যাতে আবার টাইপ করতে না হয়। তখন শুধু ওই একটি ফাইল Google Cloud Vision-এ পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে লেখাটি ফিরে আসে।
এটি কেবল তখনই হয় যখন শিক্ষক নিজে বোতামে চাপ দেন, এবং কেবল সিলেবাসের সাথে যুক্ত ফাইলের জন্য — শিক্ষকের আপলোড করা অন্য কিছুর জন্য নয়: পাঠের ফাইল নয়, নম্বরপত্র নয়, শিক্ষার্থীর খাতা নয়। ফিরে আসা লেখা শিক্ষককে দেখানো হয় যাচাইয়ের জন্য, এবং তা নিজে থেকে সিলেবাস বদলে দেয় না। ফাইলের সাথে শিক্ষার্থীর কোনো তথ্য Google-কে দেওয়া হয় না।
ক্লাস ও ফি-র রিমাইন্ডার অভিভাবকের যে নম্বর একাডেমির খাতায় আছে, সেই নম্বরে এসএমএসে যায়, এবং তা দিনের বেলাতেই পাঠানোর মতো করে ঠিক করা। রিমাইন্ডার বন্ধ করতে চাইলে আপনার শিক্ষককে বলুন; তিনি তা লিখে রাখবেন। আপনি নিজে যে যাচাই-কোড চেয়েছেন, তা সবসময়ই পাঠানো হয়।
অ্যাপ ইনস্টল করে নোটিফিকেশনের অনুমতি দিলে রিমাইন্ডার এসএমএসের বদলে নোটিফিকেশনে আসে। নোটিফিকেশনে শুধু একাডেমির নাম ও রিমাইন্ডারের ধরন থাকে — কখনোই সন্তানের নাম, টাকার অঙ্ক বা ফোন নম্বর নয়। সাইন আউট করলে বা নোটিফিকেশন বন্ধ করলে আবার এসএমএসে ফিরে যাবেন।
কোনো বিজ্ঞাপন নেই, বিজ্ঞাপনী ট্র্যাকিং নেই, অ্যানালিটিক্স নেই, অ্যাডভার্টাইজিং আইডি নেই — অ্যাপেও না, ওয়েবসাইটেও না। শিক্ষার্থীর টাকা প্ল্যাটফর্ম কখনো গ্রহণ বা সংরক্ষণ করে না; ফি সরাসরি শিক্ষককে দেওয়া হয়, অ্যাপ শুধু শিক্ষকের হিসাব রাখে।
একাডেমি চালাতে যে হিসাব লাগে (উপস্থিতি, চালান) তা একাডেমি যতদিন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ততদিন থাকে। সার্টিফিকেটে ছাপা নাম ইচ্ছাকৃতভাবেই থেকে যায় — দেয়ালে টাঙানো সার্টিফিকেট বৈধ থাকা চাই। ব্যাকআপ ৯০ দিনের মধ্যে মুছে যায়, তাই মুছে ফেলা তথ্য ব্যাকআপ থেকেও ওই সময়েই চলে যায়।
শিক্ষার্থীর তথ্য সংশোধন বা মুছে ফেলতে প্রথমে আপনার একাডেমির সঙ্গে কথা বলুন; সমাধান না হলে আমরা সরাসরি ব্যবস্থা নেব — কীভাবে তথ্য মুছতে বলবেন।
এখানকার শিক্ষার্থীরা সাধারণত স্কুল-বয়সী। অ্যাকাউন্ট তৈরি ও পরিচালনা করেন অভিভাবক; শিক্ষকের পাঠানো আমন্ত্রণ থেকে অভিভাবকই পোর্টাল অ্যাকাউন্ট খোলেন, এবং সন্তানের সব তথ্য শুধু তার নিজের অভিভাবকের অ্যাকাউন্টেই দেখা যায়।
সর্বশেষ হালনাগাদ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬